সময়ের সাদর সম্ভাষণে কাটে মুহুর্ত। গতির চোরাপথগুলো মাড়িয়ে হামলে পড়ি কোন এক অজানা কানাগলিতে। কুঁড়িয়ে নিয়ে আসি মণিমুক্ত। শাল শিরীষের বন মারিয়ে দূর অজানার গাঁয়ে নির্জন দূপুরে পরিশ্রান্ত শরীর এলিয়ে দেই দূর্বাঘাসের কোলে। অলীক ভঙ্গিতে দূর্বাদল চিবিয়ে তৃণভূমি করি রক্তাক্ত। স্মৃতিরা আজ বেদনাহত। পদ্মপাতায় ব্যাঙদল নীরব নিথর। শাপলা শালুক কুঁড়োনোর দিন থেমে গেছে চৈত্র সংক্রান্তিতে।
দীর্ঘশ্বাস জমাট বেঁধে মেঘমালার বর্ষণ। ভিজিয়ে নিয়ে যায় মেঠোপথে, কর্দমাক্ত থৈ থৈ দীঘির জলে। ল্যাংটো ছেলের দল হাঁক ছাড়িয়ে উলম্ব লম্ফন। কলস কাখে ছকিনা বিবির জল আনয়ন দৃশ্যে হাহাকার কোন এক জোচ্চোরের।
পীদিমের তলায় কেরোসিন। পলতে পুরে ছাই। আলো জ্বলেনা শামাপোকাও নাচেনা নচিমনের ঘরে। পাজি নচ্ছার হিকমতের সনে ছকিনার পলায়ন। মাতা নচিমনের গোলায় আগুন। হাহাকার রব পোড়াকপালি বংশের মান ইজ্জত ধূলোয় মেশালী।
আরও একটু হাত বাড়িয়ে ধরে ফেলি ঘাস ফড়িং। নীল আভায় চোখ জ্বলে ছাই। দৃশ্যমান জগৎ সংসারে সমুদ্রের ফেনিল হাতছানি। কোলাহল থেমে গেছে সমুদ্র তীরের। হিকমত আর ছকিনার ভালবাসা পরাজিত হয়ে আছড়ে পরে পাশ্ববর্তী পাহাড় কোলে। মেঘমালা হয়ে বৃষ্টি নামায়। তারই শীতল পরশে আমরা আবার ভেসে যাই নতুন করে।
ছবিসূত্র: আন্তজাল
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন