তয় নতুন একখান ফর্মুলা খুঁইজা পাইছি মানে মাথায় আইছে আরকি। ডিপার্টমেন্টে পড়ালিখার সময় প্রতিবছর ফিল্ডে যাইতাম সপ্তাহ খানেকের লিগা। আমাদের অতি প্রিয় মনসুর স্যার (এক রাজনৈতিক মতাদর্শের) ফিল্ডে এক কাহানী শুনাইলেন:
আমাদের ম্যাডাম (কোন প্রধানমন্ত্রী কমুনা--আর ব্যাপারটা জিগাইয়েন না কইলাম) একদিন বিকাল বেলা আমারে খুশী মনে তার বাসভবনে ডাইকা পাঠাইলো। আমিও দেরী না কইরা তাড়াতাড়ি তার বাসায় পৌঁছাইলাম। কিজইন্য ম্যাডাম ডাইকা পাঠাইছেন জানার জন্য অতি আগ্রহ প্রকাশ করলাম। তিনি আমারে মুড়ি/ চানাচুর খাইতে দিয়া মনে মনে হাসতাছেন আর বলতাছেন আপনার মুড়ি খাওয়া হোক তারপর একটা অতি মূল্যবান জিনিস দেখামু। নাস্তা দ্রুত শেষ করলাম এরপর ম্যাডাম আলমিরা থেকে সযত্নে রাখা মখমলের কাপড়ে মোড়ানো একটা জিনিস আইনা হাতে দিলেন। আর বললেন বিদেশে ভ্রমণের সময় এক ভক্ত আমারে এই দামী জিনিসটা উপহার দিছে। খুললাম! কিন্তু একি এটাতো দেখি চ্যালকোপাইরাইটস যা দেখতে স্বর্ণের মত। যাকে ফুলস গোল্ড বলা হয় --কপার আয়রণ সালফাইড মিনারেল CuFeS2, দেখতে প্রায় স্বর্ণের মত। ম্যাডামকে আর কিছু বললাম না তবে তিনি আমার মুখটা দেইখা যা পড়ার পইড়া লইলেন আর কেমন জানি মুখটা চন্দ্রবিন্দু করলেন।
এই কাহানী শোনার পর ভালই মজাক পাইলাম আমরা।
প্রসঙ্গে আসা যাউক। বহুদিন তো বইয়া বইয়া ভাবলাম কিন্তু কোন কুলকিনারা পাইলাম না- কেমনে চাইর আনা স্বর্ণের টেকা জোগার করুম। এ দিকে বয়স তো বাইন্দা রাখা যাচ্ছেনা আলগা ঘোড়ার লাহান দৌঁড়াইতেছে। পোলাপাইন আঙ্কেল আঙ্কেল ডাইকা অস্থির কইরা ফালাইলো। বিয়ার পর গ্যাদার মা যাতে ছাছা বইলা না ডাকে হের লাইগা এই ফর্মুলার কথাটা মাথায় আইলো। যা অবিয়াতি সহব্লগারগণেরও কামে দিব- প্রধানমন্ত্রী বুঝবার পারেন নাই/ বাকীদের চান্স আরও কম
তয় এই স্বর্ণ দিয়া অলংকার বানাইবার পারবেন না। যতকেজি ইচ্ছা দলা/ বিস্কুটের লাহান কইরা দিতে পারেন আর কইবেন অলংকার বানাইবার টাইম নাই আপাতত কয় কেজি দিতাছি পড়ে বানায় দিমুনে। বিয়াটা হইয়া গেলে চুপিচুপি একদিন সরায় ফেল্লে হবেক
ফুলস গোল্ডের কিছু ফটোক:
ফুলস গোল্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে: http://en.wikipedia.org/wiki/Chalcopyrite
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন