মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১১

রক্তিমবৃক্ষ



এইখানে
এই বাহুর অবতলে হেলান দাও,
একটুও নড়বে না বলে দিচ্ছি
সূর্যটা দেখে ফেললেও বিপদ।
ঈর্ষা!
ঈর্ষা সূর্যের প্রতাপ!

রাত-চাঁদ সরে যাক দ্রুতলয়ে
আসুক তবে অমাবস্যা
তোমার আলোয় ফিকে
দীনহীন জোছনা।

হ্যা! একটু অপলক দৃষ্টি
এইতো রোপণ হলো
একটি বৃক্ষ।

নচ্ছার জোনাকীরা দূরে যাও
বাতাস বিলাসিতা বন্ধ করো
দু’জনার চোখের অনলে
পুরে যাক কামনা---
এবার ডালপালা ছড়ালো
রোপিত রক্তিমবৃক্ষ!

এসো তবে
ছায়া সুনিবিড়ে।


ছবিঃ নিজস্ব এ্যালবাম।

রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০১১

হারানোর গানঃ কলম-ডায়েরী ও ২৯ এপ্রিল



কলম-ডায়েরী

তুমি কাছে নেই
তাই কবিতাও নেই,
ডায়েরীর পাতা ছিড়ে স্তুপাকার
কলমের কালিও করে প্রতারণা,
হাত ঝাকিয়ে দু’লাইন আসে তো
তৃতীয় লাইনে কালি উধাও,
ডায়েরীর পাতাও শেষ।
কি আর হবে কলম-ডায়েরী খুঁজে?
যে সত্যিটা বলা প্রয়োজন,
তুমিই আমার কলম
তুমিই আমার ডায়েরী।

২৯ এপ্রিল

আজ অনেক দিন হলো
কবিতা লেখা হয় না
লেখার ইচ্ছেরা
উড়ে গেছে দূরে,
যেমন করে তুমি ছেড়ে গেছো
দূর বহুদূরে।

এখন প্রভাতে কেউ
স্মরণ করিয়ে দেয় না
তোমার কবিতা লেখার
সময় হয়েছে!
ডায়েরীটা খোলা পড়ে আছে
২৯ এপ্রিলের ঘরে।
কলমটাও জীর্নশীর্ন
কালিশূন্য।

২৯ এপ্রিল মানে ঝড়ো হাওয়া,
যে হাওয়ায় উড়ে গেছো তুমি
অন্য আকাশে, ভিন্ন সূর্যের দেশে।

অন্য রোদ ভিন্ন বায়ু মেখে মেখে
ক্লেদ নেমে আসলে,
কিংবা সূর্যগ্রহণে
অমানিশার অন্ধকারে ঢেকে গেলে
ঘুলঘুলিটা সরিয়ে
আমার আকাশে উঁকি দিয়ো,
দেখতে পাবে অনাবৃষ্টি আর
চৈত্রের খরতাপে তৃষ্ণার্ত
হা করে চাওয়া
২৯ এর পাতা!



ছবিঃ নিজস্ব এলবাম।